ব্যাটিং ধসের মুখে বাংলাদেশ


টপাটপ উইকেট গিলছেন ওজি বোলাররা। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ দলের প্রথম সারির পাঁচ ব্যাটসম্যানকে বিদায় করেছে অস্ট্রেলিয়া। দ্রুত পাঁচ উইকেট খুইয়ে চরম বিপাকে পড়ল টিম টাইগার্স।

সাগরিকায় আসা-যাওয়ার মিছিলে নেমেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। এক এক করে বিদায় নিলেন ইমরুল (১৫), সাকিব (২), নাসির (৫)। তার আগে ঢাকা টেস্টে ৭১ আর ৭৮ রানের দারুণ দুটি ইনিংস খেলা তামিম ইকবালও আজ নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। প্রথম ইনিংসে ৯ রানের পর আজ দ্বিতীয় ইনিংসে ১২ রান করে আউট হয়েছেন তামিম। নাথান লায়নের বলে ডাউন দ্য উইকেটে মারতে গিয়ে ম্যাথু ওয়েডের স্টাম্পিংয়ে সাজঘরে ফিরতে হলো ‘লোকাল বয়’ তামিমকে।

ব্যর্থতার পরিচয় দেন সৌম্য সরকার। দুই টেস্টের মাত্র এক ইনিংসে ২০ প্লাস রান করেছেন সৌম্য সরকার। ঢাকা টেস্টে ৮, ১৫ আর চট্টগ্রাম টেস্টে ৩৩ এবং ৯ রান। মনে হচ্ছে ব্যর্থতার ষোলকলাই পূর্ণ করেন সৌম্যে। কেবল ব্যাটিংয়ে নয়, ফিল্ডিংয়েও ব্যর্থতার ছাপ রেখেছেন তিনি। ঢাকা টেস্টে দুইটি সহজ ক্যাচের পর চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনে আরও একটি লোপ্পা ক্যাচ ছাড়েন সৌম্য সরকার।

এদিকে আগের দিনের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩৭৭ রান নিয়ে আজ চতুর্থ দিনের ব্যাটিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগেই অলআউট হয়ে যায় ওজিরা। সেক্ষেত্রে তৃতীয় দিনে রেখে যাওয়া ৭২ রানের লিডই সম্বল হলো স্মিথ বাহিনীর।

আজ সাতসকালেই নাথান লায়নকে ফিরিয়ে ওজিদের গুটিয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। এনিয়ে চতুর্থ শিকার ঝুলিতে পুরলেন ফিজ। তার আগে ওয়ার্নার দাপটে তৃতীয় দিনের সিংহভাগ কাটলেও শেষ বেলায় বল হাতে ঝলক দেখান টাইগার বোলাররা। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ১২৩ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার। এছাড়া স্মিথ ৫৮ এবং হ্যান্ডসকম্বের ব্যাট থেকে আসে ৮২ রান।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৩০৫ রান। টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন মুশফিকুর রহিম। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৬ রান এসেছে সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে। এছাড়া নাসির হোসেনের ৪৫, সৌম্য সরকারের ৩৩ এবং মুমিনুল হকের ৩১ রান দলের সংগ্রহে অবদান রাখে।

ওজিদের হয়ে বল হাতে সফল নাথান লায়ন। তিনি একাই শিকার করেন ৭ উইকেট। ২টি উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন অ্যাস্টন অ্যাগার। বাকি উইকেটটি এসেছে রান আউট থেকে।

Facebook Comments