পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত কুয়াকাটা


ঈদ-উল-আযহার সরকারী ছুটির অবসরে পর্যটকের জন্য প্রস্তুত কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের সকল স্পট। পর্যটন স্পটগুলোতে গমন উপযোগী স্থানীয় রেন্টেড যানবাহনেও তাই সাজ সাজ রব। কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত, সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের মনোলোভা দৃশ্য,  ইকোপার্ক, গঙ্গামতির লেক, ইলিশ পার্ক, ফাতরার ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট, রাখাইন মহিলা মার্কেট, লেম্বুর চরের শুঁটকি পল্লী, রাখাইন পল্লী, কেরানী পাড়া বৌদ্ধ বিহারের বৌদ্ধ মূর্তি, কুয়াকাটা সংলগ্ন মিশ্রী পাড়ায় অবস্থিত এশিয়ার সর্ব বৃহৎ বৌদ্ধ মূর্তি, মৎসবন্দর মহিপুর ও মম্বীপাড়ার সৎ সঙ্গের মন্দির নিয়ে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা এখন পর্যটকদের বিনোদনে প্রস্তুত।

ঈদ উৎসবের সরকারী ছুটির দিনগুলো আনন্দের সাথে কাটানোর জন্য প্রকৃতি প্রেমি দেশ-বিদেশের শত শত পর্যটকরা প্রকৃতির নিবিড় পরশ নিতে ইতিমধ্যেই কুয়াকাটার খ্যাতনামা সকল আবাসিক হোটেলগুলোতো বুকিং দিয়ে রেখেছেন। পরিস্থিতি এমন যে ঈদ পরবর্তী ১০ দিন কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলের কোন সিট খালি নাই। ব্যক্তি মালিকানাধীন বিলাসবহুল আবাসিক হোটেলগুলো পর্যটকদেরকে আকৃষ্ট করার জন্য লাইটিং সহ নানা পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। কুয়াকাটা ইন্টারন্যাশনাল, বনানী প্যালেস, গোল্ডেন প্যালেস, নীলাঞ্জনা, পর্যটন হলিডে হোম্স, স্কাই প্যালেস ও সিকদার রিসোর্টে এ বছর বেশী পর্যটক অবস্থান করবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।

কুয়াকাটা গেষ্ট হাউজের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ মোতালেব শরীফ বলেন, আগামী ১৫ তারিখ পর্যন্ত তার হোটেলে পর্যটকদের আগাম বুকিং রয়েছে। কলাপাড়া-কুয়াকাটা ২২ কি.মি. সড়কের তিনটি নদীর উপর ব্রীজ উদ্বোধনের পর থেকে সরকারী ছুটির দিনগুলোতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের আগমন তুলনামূলক ভাবে বেড়েছে। তাই এছরও ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের আগমন বাড়বে।

কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাগরকন্যা সম্পাদক নাসির উদ্দিন বিল্পব বলেন, কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, সাগরের নীল ঢেউ, বালুকারাশি, সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের মত লোভনীয় সৌন্দর্য্যই কুয়াকাটা ভ্রমনের স্মৃতিকে অনেক দিন বাঁচিয়ে রাখে মননে এবং পুনরায় নিজের অজান্তেই নিজেকে প্রকৃতির কাছে টেনে আনে ।

কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশের সিনিয়র এএসপি আবদুল করিম জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ ঈদের দিন থেকে দর্শনীয় স্পট গুলোতে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে।

Facebook Comments