বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মমতাজ উদ্দিন

‘ধর্ষক’ তুফান ও তার ভাই মতিনকে সৃষ্টিকারীদের বিচারের দাবি বগুড়া আ.লীগের


বগুড়ায় ছাত্রী ধর্ষণ ও মা-সহ মেয়েটিকে ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মমতাজ উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ নিন্দা ও ক্ষোভ জানান। জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পাঠানো এ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আলহাজ মমতাজ উদ্দিন বলেন, ‘কোনও সংগঠন করা মানে অপরাধ করার লাইসেন্স পেয়ে যাওয়া নয়। কেবল তুফান সরকার বা তার ভাই মতিন সরকার নয়; এদের সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আলাদা গঠনতন্ত্র থাকায় সহযোগী সংগঠনগুলোর কাজের ব্যাপারে কখনও হস্তক্ষেপ করে না আওয়ামী লীগ। তবে এসব সহযোগী সংগঠনসহ কিছু ভুঁইফোড় সংগঠনের কারণে আওয়ামী লীগের দুর্নাম হচ্ছে। এসব সংগঠনের নেতাদের ডেকে বোঝানো, কড়া ভাষায় সমালোচনা এবং সঠিক পথে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। কেউ তা শুনেছে, কেউ শোনেনি। কেন্দ্রীয় নেতারা অনেক সময় আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাদের বাড়িতে দাওয়াত খান, তাদের বিভিন্নভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। ফলে সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাদের অনেকেই আমাদের তোয়াক্কা করে না।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় প্রশাসন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও বিএনপি সস্তা রাজনীতির অংশ হিসেবে শহরে মিছিল ও সমাবেশ করছে। তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। আওয়ামী লীগ তা হতে দেবে না। কোনও ব্যক্তির কারণে আওয়ামী লীগ দুর্নামের অংশীদার হবে না।’

প্রসঙ্গত, ১৭ জুলাই কলেজে ভর্তির বিষয়ে সাহায্যের নাম করে বগুড়া শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক তুফান ভিকটিমকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে সে স্থানীয় এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সহযোগিতায় ভিকটিমটিকেই এ ঘটনার জন্য দায়ী করে এবং বিচারের নামে ভিকটিম ও তার মায়ের মাথা ন্যাড়া করে দেয়। এরপর তুফান মা ও মেয়েকে এসিড মারার হুমকিও দেয়। শুক্রবার দুপুরে ভিকটিম ও তার মায়ের চুল কেটে দিলে তারা থানায় মামলা করেন। ওইদিন রাতেই চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

/ বাংলাট্রিবিউন

Facebook Comments